১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। স্লেমারকে মারধর, নির্যাতন এবং হত্যার সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। এই হত্যাকাণ্ডে তার তৎকালীন প্রেমিক টাডারি শিপও জড়িত ছিলেন। বর্তমানে দুইবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে থাকা পাইকের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুইবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক, অবস্থা আশঙ্কাজনক
১৯৯৬ সালে কোলিন স্লেমার নামের এক তরুণীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইক দুইবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।